নিজেদের তৈরি ভিটিএম কিটে সফলতা পেলো ডিআরআইসিএম

২৮ মে, ২০২০ ০৬:৪৯  
সফলতা মিলেছে করোনাভাইরাসের নমুনা সংগ্রহের জন্য প্রয়োজনীয় দেশে তৈরি ভিটিএম বা ভাইরাস ট্রান্সপোর্ট মিডিয়া কিটের। ইতোমধ্যেই এই কিট ব্যবহারে সন্তোষ প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। কিটটি তৈরি করেছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সংস্থা বিসিএসআইআর-এর ‘রাসায়নিক পরিমাপ বিজ্ঞান’ বা ‘কেমিক্যাল মেট্রোলজি’ বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘ডেজিগনেটেড রেফারেন্স ইনস্টিটিউট ফর কেমিক্যাল মেজারমেন্টস’ (ডিআরআইসিএম)। ডিআরআইসিএমের পরিচালক মালা খানের নেতৃত্বে এই কিট তৈরি করেছেন প্রতিষ্ঠানটির একদল গবেষক। ১২ জন সদস্য মিলে এই কাজটি করেছেন। এর মধ্যে চারজন বিজ্ঞানী রয়েছেন। সূত্রমতে, এই কাজে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান, মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আনোয়ার হোসেন এবং বিসিএসআইআরের চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ নিয়মিত তদারকি অব্যাহত রেখেছেন। ডিআরআইসিএমের পরিচালক ড. মালা খান জানিয়েছেন, পরীক্ষামূলক ব্যবহারের পর স্বাস্থ্য অধিদফতর তাদের কাছ থেকে কিট নিতে আগ্রহ প্রকাশ করে। এরপর মঙ্গলবার (২৬ মে) ডিআরআইসিএম পরিচালক ড. মালা খান স্বাস্থ্য অধিদফতরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানার কাছে তাদের তৈরি পাঁচ হাজার ভিটিএম কিট উপহার হিসেবে পাঠিয়েছেন। তাদের উদ্ভাবিত ভিটিএম কিটে সংগৃহীত নমুনা ৪ ডিগ্রি তাপমাত্রায় তিন দিন পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়। কোনোভাবেই যেন ক্রস-কন্টামিনেশন না হয়, সে বিষয় বিবেচনা করেই সল্যুশন রাখার টিউব নির্বাচন করা হয়েছে। টিউবটি হালকা, সহজে এক হাতে ধরা যায় এবং এতে রাবার স্টপার্স-সংবলিত মুখ থাকায় চুইয়ে পড়ার কোনও সম্ভাবনাও নেই। একেকটি কিটের দাম পড়ছে গড়ে দুই শ থেকে আড়াই শ টাকা। এই মূল্য আমদানিকৃত কিটের অর্ধেক।